শিরোনাম

প্রকাশিত : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ০৪:২৭ সকাল
আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ০৪:২৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মুশফিকের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে টাইগারদের রেকর্ড গড়া জয়

আক্তারুজ্জমান : এশিয়া কাপের ‘বি’ গ্রুপ থেকে পরের ম্যাচেই আফগানিস্তানের মুখোমুখি হতে হবে বাংলাদেশকে। এর আগেই শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সুপার ফোরে যাওয়ার পথটা পরিষ্কার করেছে টাইগাররা। ম্যাচে টস জিতে শুরুতে ব্যাটিং করে নির্ধারিত ওভার থেকে ৩ বল বাকি থাকতে ইনিংস গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ দলের। যোদ্ধা মুশফিক, আগ্রাসী মিঠুন এবং সাহসী তামিমে ভর করে স্কোরবোর্ডে ২৬১ রান তোলে। ২৬২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে টাইগারদের দাপুটে বোলিংয়ে ১২৪ রানে গুটিয়ে যায় লঙ্কানরা।

বাংলাদেশ শিবিরের ব্যাটিং লাইন যেমন শুরুতে বিপদের মধ্যে পড়েছিল তেমনভাবে পড়েছিল লঙ্কানদের ব্যাটিং লাইনআপও। মোস্তাফিজের প্রথম এরপর দলনায়ক মাশরাফির জোড়া আঘাত। তাতে ভেঙে পড়ে লঙ্কান টপঅর্ডার। গতকালকের ম্যাচে দীর্ঘ চার বছর পর কোন রান না করে প্রথম বলেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন সাকিব। টাইগার শিবিরে দুঃসংবাদ দিয়ে এরপরই আবার হাতে চোট পেয়ে বিশ্রামে যান তামিম। সুরাঙ্গা লাকমলের বলে পুল করতে যেয়ে হাতে আঘাত পান তিনি। যাওয়ার আগে ২ রান করেন। তবে আসন্ন বিপদকে আর বাড়াতে দেননি মুশফিক ও মিঠুন জুটি।

মালিঙ্গার তৃতীয় শিকারে ফেরার আগে ৬৮ বলে ৬৩ রান করে যান মিঠুন। তাদের জুটিতে আসে ১৩১ রান। মিঠুন থামলেও থামেননি মুশফিক। ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেলার পথে করেন ১৫০ বলে ১৪৪।এশিয়া কাপের মতো ম্যাচে তামিমের অনুপস্থিতি, সাকিব ও লিটনের দ্রুত বিদায়ের পর রানের গতি থেমে যায়। লঙ্কানদের ক্যাচ মিসের কিছু সুযোগ নিয়ে বড় জুটি গড়ে আশা দেখান মুশফিক-মিঠুন জুটি। তবে তাদের দেখানো সেই আলোতে পথ খুঁজে পাননি মাহমুদউল্লাহ ও মোসাদ্দেক। মিঠুনের বিদায়ের পর এই দু’জনও বিদায় নেন দ্রুত। দলের বিপদাপন্ন অবস্থায় ক্রিজে আঁকড়ে ছিলেন মুশফিকুর রহিম। তবে এদিন সব আলো নিজের দিকে নিয়েছেন একবছর পর লঙ্কা দলে সুযোগ পাওয়া লাসিথ মালিঙ্গা।

হাথুরুসিংহে শ্রীলঙ্কা দলের কোচ হওয়ার পর তাকে গতকালই প্রথম সুযোগ দেন। আর সেই সুযোগের শতভাগ ব্যবহার করে ভেঙে দেন টাইগারদের টপঅর্ডার। লিটন, সাকিবের বিদায় ঘণ্টা বাজানোর পর ভাঙেন মুশফিক-মিঠুন জুটিও। উইকেটে থিতু হওয়ার আগেই মালিঙ্গার শিকার হন মোসাদ্দেক হোসেনও। তবে মাহমুদউল্লাহকে পেরান আপনসো। শেষদিকে মাশরাফি, মেহেদি ও মোস্তাফিজকে নিয়ে রান বাড়ান মি. ডিপেন্ডেবল মুশফিক।

চোট নিয়ে মাঠ ছেড়ে হাসপাতালে গিয়েছিলেন তামিম। সেখান থেকে ব্যান্ডেজ করে তাকে নিয়ে আসেন ফিজিও। সেই ব্যান্ডেজ নিয়েই শেষ উইকেট জুটিতে মুশফিককে সঙ্গ দিতে ক্রিজে নেমেছিলেন তিনি। একটি বল খেলেছিলেন একহাত দিয়ে ব্যাটিং করে। আর তাকে সঙ্গে নিয়েই মুশফিক ১৬ বলে ৩২ রান করে স্কোরলাইন বড় করেন।

আমাদেরসময়.কম whatsapp চ্যানেল ফলো করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়