অপু খান : বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন ,বিটিআরসির সর্বনিম্ন কলরেট ৪৫ পয়সা ও সর্বোচ্চ কলরেট ২টাকা কেন করলো তা আমার বোধগম্য নয়।
সর্বনিম্ন কলরেট ২৫ পয়সা থেকে ৪৫ পয়সা বাড়ানো প্রসঙ্গে বিবিসি বাংলাকে মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, অন-নেটের পূর্বে অফ-নেটে সর্বনিম্ন কলরেট ছিল ৬০ পয়সা। তাদের ব্যয় ছিল ২২ পয়সা। অপারেটরদের হতো ৩৬ পয়সা। এতে লাভবান হবার পরও তারা কারও সাথে আলোচনা না করে একক ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলরেট বৃদ্ধির ক্ষেত্রে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, প্রজ্ঞাপনের মধ্য একটা ফাঁক আছে, তারা বলেছে সর্বনিম্ন ৪৫ পয়সা ও সর্বোচ্চ ২ টাকা। এখন মোবাইল কোম্পানিগুলো যদি দুই টাকাই নেয় তাতে কিন্তু শাস্তির ব্যবস্থা থাকবে না। কারণ আইনে কিন্তু দুই টাকা বলা আছে। তিনি আরো বলেন, এটা গ্রাহকদের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করছে, এর প্রতিবাদে আজ আমরা বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশন একটি মুক্ত সংবাদ সম্মেলনের ঘোষণা করেছি।
তিনি আরো জানান, কলরেট বৃদ্ধির জন্য যখন মোবাইল কোম্পানি একটা প্রস্তাব করেছিল বিটিআরসিকে, তখন বিটিআরসি ৩৫ পয়সা করার জন্য একটা প্রস্তাবনা দিয়েছিল মোবাইল কোম্পানিগুলোকে। কিন্তু, হঠাৎ করে আমরা দেখলাম দুই আগস্ট মধ্যরাতে মেসেজ দিয়ে গ্রাহকদের জানানো হলো অন নেট অফ নেট থাকবে না কলরেট হবে ৪৫ পয়সা।
বাংলাদেশ টেলি যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জহুরুল হক বলেন, নতুন আইন অনুযায়ী বাজারে শীর্ষে থাকা প্রতিষ্ঠান কিছুটা ক্ষতিগ্রস্থ হলেও অপেক্ষাকৃত ছোট প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রতিযোগিতামূলক বাজার নিশ্চিত হবে। জহুরুল হক আরো জানান, অফ- নেট ও অন- নেট আলাদা কলরেট থাকায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠির মানুষের কাছে বিভিন্ন অপারেটরের কয়েকটা সিম থাকাতো। এখন কলরেট এক হয়ে যাওয়ায় সেই সমস্যা আর থাকবে না।
উল্লেখ্য,গত ১৪ আগস্ট থেকে নতুন এ কল রেট চালু রয়েছে।