সুশান্ত সাহা : সনাতন ধর্মাম্বলী সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সারাদেশে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার পাশাপাশি যাতে কোনো গোষ্ঠী সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে না পারে সেজন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নজরদারি করা হবে।
বুধবার দুপুরে দুর্গাপূজার নিরাপত্তা বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব কামাল উদ্দিন আহমেদ এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, সারাদেশের প্রত্যেকটি পূজা ম-পে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তা বজায় থাকবে। দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের নাশকতা এবং অরাজকতা রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর থাকবে।
খন্দকার কামাল উদ্দিন বলেন, প্রতিমা তৈরি থেকে বিসর্জন পর্যন্ত পূজা ম-পগুলোতে কড়া নজরদারি করবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। ৩০ হাজারের বেশি পূজা মণ্ডপের নিরাপত্তায় থাকবে ১ লাখ ৭০ হাজার আনসার সদস্য। বিসর্জনের দিনটি শুক্রবার হওয়ায় যাতে ধর্মীয় কোনো ধরনের ক্ল্যাশ সৃষ্টি না হয় এজন্য সতর্ক থাকা হবে এবং ওইদিন বেলা ৩টার পরে যেন প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয় সেজন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, রাজধানীতে চলাচলকারী মোটরসাইকেলেও থাকবে বাড়তি নজরদারি। গুজব ছড়িয়ে যাতে কেউ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে না পারে সেজন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও কড়া নজরদারি থাকবে। পূজা কমিটির সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ থাকবে কেন্দ্রীয় মনিটরিং কমিটির।
সভায় পুলিশের আইজিপি জাভেদ পাটওয়ারি, র্যাবের ডিজি বেনজির আহমেদ, আনসারের ডিজি মেজর জেনারেল কাজী শরীফ কায়কোবাদ উপস্থিত ছিলেন।