সাইদ রিপন : দিন দিন আঞ্চলিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে দেশের স্থলবন্দরগুলোর গুরুত্ব বাড়ছে। স্থলপথে পণ্য আমদানি-রপ্তানিও বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু পণ্য আমদানি-রপ্তানির এখনো অনেক স্থল শুল্ক স্টেশনের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন হয়নি। এজন্য পরিকল্পনা কমিশনে ৮৩ কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাব করেছে অর্থ মন্ত্রণালয় ও অভ্যান্তরীণ সম্পদ বিভাগ।
প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের পর জুলাই ২০১৮ থেকে জুন ২০২১ সালে বাস্তবায়ন করবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং গণপূর্ত অধিদফতর। পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানিয়েছে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যান্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) রাজস্ব আহরণে একটি একক গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা। এ বোর্ডের অধীন বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (শুল্ক ও ভ্যাট) ও বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কর) ক্যাডারের কর্মকর্তাদের রাজস্ব আহরণে দেশের প্রত্যান্ত অঞ্চলে দায়িত্ব পালন করছেন। তাছাড়া প্রতি বছরেই রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে এনবিআর এর কর্মকান্ড ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত হচ্ছে, কিন্তু সে অনুযায়ী স্থল শুল্ক স্টেশনের অবকাঠামো উন্নয়ন হচ্ছে না। সেজন্যই প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রকল্পটির উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে, উত্তরাঞ্চলের হিলি, বুড়িমারি ও বাংলাবান্ধা স্থল শুল্ক স্টেশনগুলোর ভৌত সুবিধাদি বৃদ্ধি করা। ভৌত অবকাঠামো বৃদ্ধির মাধ্যমে এ সকল স্টেশনে আমদানি ও রপ্তানি শুল্ক আদায় বৃদ্ধি করা যাবে। যাতে অভ্যান্তরীণ রাজস্ব আহরণ জোরদার সম্ভব হবে। আমদানি ও রফতানি শুল্ক এবং ভ্যাট আদায় কার্যক্রমের যথাযথ পরিবীক্ষণ ও তদারকি বাড়ানো। প্রকল্পের মূল কার্যক্রম হচ্ছে, ৩টি শুল্ক স্টেশনের ১২ একর ভূমি উন্নয়ন, বুড়িমারি, হিলি ও বাংলাবান্ধা স্থল শুল্ক স্টেশনের দাপ্তরিক ভবন নির্মাণ, তিনটি স্থল শুল্ক স্টেশনের যুগ্ম-কমিশনারের বাস ভবন নির্মাণসহ আরো আনুষাঙ্গি কাজ করা হবে।