নূর মাজিদ : ব্রাজিলের পরেই বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম চিনি উৎপাদক ভারত। তবে ব্রাজিলে ইথানল জাতীয় বায়োফুয়েল তৈরিতে আখের ব্যবহার বাড়ায় দেশটিতে এবার চিনির উৎপাদন হবে কম। অন্যদিকে ভারতে আখের বাম্পার ফলন হয়েছে চলতি বছরে। যা থেকে ব্রাজিলের চাইতেও বেশি চিনি উৎপাদন করবে ভারত। ফলে, দেশীয় চিনির বিপুল মজুদ থাকছে ভারত সরকারের কাছে। এই মজুদ থেকে চিনি রপ্তানি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে ভারত সরকার। ফলে, চিনি রপ্তানিতে উৎসাহ দিতে এবার গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণ ভর্তুকি দেবার পরিকল্পনা করছে ভারত সরকার।
এই পরিকল্পনার আওতায় ৪ হাজার ৫০০ কোটি রুপি বা ৬১ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার ভর্তুকি দেবে ভারত সরকার। আগামী বছর যাতে ভারতের আখ চাষিরা ন্যায্যমূল্য পান সেই লক্ষ্যেই চলতি বছরে চিনির মজুদ নিয়ন্ত্রণে রাখতে রপ্তানি বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। এছাড়াও, আগামী অর্থবছর চিনিকলগুলোতে প্রতি ১শ কেজি আখ মাড়াইয়ে ১৩ দশমিক ৮৮ রুপি ভর্তুকি দেবে কেন্দ্রীয় সরকার। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে একই পরিমাণ আখ মাড়াইয়ের ক্ষেত্রে ৫ দশমিক ৫ রুপি সরকারি ভর্তুকি বিদ্যমান রয়েছে। এছাড়াও উৎপাদিত চিনি মিল থেকে বন্দর পর্যন্ত পরিবহণে প্রতি টনে ৩ হাজার রুপি ভর্তুকি দেবে সরকার। কমোডিটি অনলাইন